ব্যুরো নিউজ, ২৬ মে ২০২৬ঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। মেটা-সহ একাধিক বড় প্রযুক্তি সংস্থার কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে যে, AI কি সত্যিই মানবজাতির জন্য বিপদ ডেকে আনছে? এমন পরিস্থিতিতে গুগল সিইও সুন্দর পিচাই সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে AI-এর ভবিষ্যৎ এবং এর প্রভাব নিয়ে মুখ খুলেছেন। পিচাই স্বীকার করেছেন যে, AI-এর দ্রুত পরিবর্তন এবং এর প্রভাব নিয়ে মানুষের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ স্বাভাবিক।
তাঁর মতে, এই প্রযুক্তি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, যার সঙ্গে মানিয়ে নিতে মানুষের এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়া বাকি। এর জন্য আরও সময় প্রয়োজন। তবে তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। পিচাই বিশ্বাস করেন, বর্তমানের শিক্ষার্থীরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং AI প্রযুক্তিকে আরও উন্নত ও নিরাপদ করে তুলবে, যা এক সুন্দর পৃথিবী গড়তে সাহায্য করবে। চাকরির বাজারে AI-এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও, পিচাই মনে করেন যে প্রযুক্তির অগ্রগতি বরাবরই পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুতে যাঁরা স্নাতক হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে বেকারত্বের হার বিগত চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এই পরিস্থিতিতে পিচাই বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে সতর্ক করে বলেছেন যে, তাদের এখন আরও বেশি দায়িত্ব মানুষকে বোঝানোর যে AI শুধু ভয়ের নয়, এতে অনেক নতুন সুযোগও তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে, এই প্রযুক্তিকে আরও নিরাপদ ও মানুষের উপযোগী করে তোলার জন্য কাজ করতে হবে। AI মানবজাতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, তাই এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সকলেরই কর্তব্য।








