ব্যুরো নিউজ, ২৬ মে ২০২৬ঃ সোমবার পুলিশি তৎপরতার পর মঙ্গলবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দক্ষিণ কলকাতার বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এর সামনে বুলডোজার আসায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার তরফে ‘শান্তিনিকেতন’ বহুতল নির্মাণে নকশার বাইরে গিয়ে কিছু অংশ ‘প্ল্যান-বহির্ভূত’ বা বেআইনিভাবে তৈরি করার অভিযোগে নোটিস পাঠানো হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেআইনি অংশ না ভাঙলে পুরসভাই বুলডোজার দিয়ে তা গুঁড়িয়ে দেবে, এমনটাই জানানো হয় নোটিসে।
এই নোটিস পাওয়ার পর অভিষেক তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। তাঁর সাফ কথা, বিজেপি নোংরা রাজনীতি করছে। এই টানাপড়েনের মাঝেই মঙ্গলবার আচমকা তাঁর বাড়ির সামনে পুরসভার বুলডোজার দেখে পথচলতি সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীরা হকচকিয়ে যান। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি এবার অভিষেকের বাড়ি ভেঙে দেওয়া হবে? তবে পুরসভা ও স্থানীয় সূত্রে পরে জানা যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ভাঙার জন্য নয়, বরং হরিশ মুখার্জি রোডকে যানজটমুক্ত করার একটি রুটিন কাজের জন্যই এদিন এলাকায় বুলডোজার নিয়ে আসা হয়েছিল।
রাস্তার উল্টো দিকের ফুটপাথের পুরনো পেভার ব্লক বদলানোর কাজ চলছিল। সেই পুরনো ইট ও কংক্রিটের চাঙর তুলতেই বুলডোজারটি ব্যবহার করা হচ্ছিল। ফলে বাড়ি ভাঙার জল্পনায় সাময়িকভাবে জল পড়ে। এরই মধ্যে সোমবার অভিষেকের বাসভবনে একদল পুলিশ আধিকারিকের আকস্মিক আগমন ঘিরে নতুন করে রহস্য দানা বাঁধে। পর পর দু’দিন পুলিশি তৎপরতা এবং তার পরেই বাড়ির সামনে বুলডোজারের উপস্থিতিতে হরিশ মুখার্জি রোডের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পারদ যে এক ধাক্কায় অনেকটাই চড়ে গিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।








