ব্যুরো নিউজ, ৬ জুন ২০২৬ঃ সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বাংলার ফুটবলের ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিল ক্রীড়া দফতর। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ঘোষণা করেছেন যে, যুবভারতীর সামনের চত্বর থেকে পুরনো অর্ধাবয়ব মূর্তি সরিয়ে ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের সমর্থকদের প্রতীকী দুটি নতুন মূর্তি বসানো হবে। এই মূর্তিগুলিতে দুই দলের জার্সি পরা সমর্থকদের চিত্র তুলে ধরা হবে, যা বাংলার শতবর্ষ প্রাচীন ডার্বির আবেগ ও উন্মাদনাকে চিরস্থায়ী রূপ দেবে।
ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, একজন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি ও অন্যজন মোহনবাগানের জার্সি পরে দাঁড়িয়ে থাকবেন। মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাংলার ফুটবলের গৌরবময় ইতিহাস ও ১০০ বছরের ডার্বিকে সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফুটবলপ্রেমীরা এই খবরে উচ্ছ্বসিত, কারণ যুবভারতী শুধু একটি স্টেডিয়াম নয়, এটি বাংলার ফুটবলের প্রাণকেন্দ্র। নতুন মূর্তিগুলি এই আবেগকে আরও জীবন্ত করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ বাংলার ফুটবল সংস্কৃতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। এদিকে, বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির মূর্তি প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী।
তিনি জানান, মেসির মূর্তিটি ফেলে দেওয়া হয়নি, বরং অত্যন্ত সযত্নে রাখা আছে। বর্তমানে বর্ষাকাল চলায় মাটি পরীক্ষার কাজ চলছে এবং স্টেডিয়াম চত্বরের কোন অংশের মাটি ওই ভারী মূর্তি বসানোর জন্য সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত, তা বৈজ্ঞানিকভাবে খতিয়ে দেখে সসম্মানে মেসির মূর্তিটি পুনরায় স্থাপন করা হবে। এছাড়াও, মেসি ম্যাচের টিকিট কাণ্ড সহ স্বরূপ বিশ্বাস ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড হারবার ক্লাব সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগগুলির তদন্ত চলছে বলেও মন্ত্রী জানিয়েছেন। প্রয়োজনে ইডি এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখবে। বিধাননগরের দখল করা মাঠও পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। ক্রীড়া দফতরের এই পদক্ষেপগুলি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি তাদের অঙ্গীকারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।








