ব্যুরো নিউজ, ১২ আগস্ট ২০২৬: কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল বিধানসভায় পাশ হয়েছে। ‘দ্য কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘দ্য হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ পাশ হওয়ার পর রাজ্যের প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (ববি) এবং তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানকে তীব্র আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তাঁর কটাক্ষ, “ডিলিমিটেশন নিয়ে আপনাদের ধারণাই স্পষ্ট নয়।” রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও এই বিল পেশ করে বিগত তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, হাওড়ায় ১৫ বছর ধরে ভোট না করানোর কারণ ছিল পরাজয়ের ভয়। এছাড়াও, তৃণমূল জমানায় হাওয়ায় দুর্নীতি, পুকুর বুজিয়ে অবৈধ নির্মাণ, নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশা এবং পানীয় জলের অপ্রতুলতার অভিযোগ করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা জানান, কলকাতা পুরসভায় নির্বাচিত প্রতিনিধির সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ এবং হাওড়ায় ৫০ থেকে বাড়িয়ে ৬৮ করা হবে। এর ফলে নাগরিকরা আরও ভালোভাবে পরিষেবা পাবেন।
শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেছেন যে, ওয়ার্ডের সীমানা, ভোটার সংখ্যা এবং জনসংখ্যা নির্ধারণের দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এই প্রক্রিয়া ভূমি দপ্তর এবং কলকাতা জেলা প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের তত্ত্বাবধানে হবে। এরপর একটি ড্রাফট নোটিফিকেশন জারি করা হবে, যেখানে আপত্তি জানানোর জন্য ন্যূনতম ৭ থেকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে দুটি সর্বদল বৈঠকও ডাকতে হবে। যদিও ফিরহাদ হাকিম নীতিগতভাবে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের বিরোধিতা করেননি, তবে তিনি পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং মাপকাঠি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, জনপ্রতিনিধিদের এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা উচিত ছিল।








