ইরান ‘শক্তিশালী, একই সঙ্গে অহংকারী’ বলে যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করছে না

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৭ জুন ২০২৬ঃ সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, ইরানি নেতারা “শক্তিশালী” (Strong) এবং “অহংকারী” বা “গর্বিত” (Proud) হওয়ার কারণেই চলমান যুদ্ধ বন্ধে ওয়াশিংটনের সাথে এখনো কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে রাজি হননি। তবে শেষ পর্যন্ত তেহরানের সামনে চুক্তি করা ছাড়া “আর কোনো বিকল্প থাকবে না” বলেও তিনি দাবি করেছেন।

এনবিসি নিউজের (NBC News) ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন:

ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ চুক্তিতে বিলম্বের কারণ:

ট্রাম্পের মতে, ইরানি নেতাদের আত্মমর্যাদা এবং অনমনীয় অবস্থানের কারণে চুক্তি হতে কিছুটা সময় লাগছে। তারা এমন কিছু করতে বাধ্য হচ্ছেন যা অতীতে কখনো করার কথা ভাবেননি। ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস: ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় ইরানের কাছে যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, বর্তমানে তার মাত্র ২১ থেকে ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে। কোনো বিকল্প নেই: ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই এবং অবশেষে তারা যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে চুক্তিতে আসতে বাধ্য হবে।

চলমান যুদ্ধ ও কূটনৈতিক পরিস্থিতি

চতুর্থ মাসে যুদ্ধ: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাত বর্তমানে চতুর্থ মাসে পদার্পণ করেছে।
হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা: যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে, মার্কিন নৌ-অবরোধ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা কোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করবে না। যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ চাপ: এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই ব্যয়বহুল যুদ্ধের বিরুদ্ধে খোদ মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে (House of Representatives) ৪ জুন একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব পাস হয়েছে। যেখানে ট্রাম্পের নিজস্ব দল রিপাবলিকান পার্টির কয়েকজন সদস্যও যুদ্ধের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।