ব্যুরো নিউজ, ৯ জুন ২০২৬ঃ ভারতীয় আম রফতানিকারকদের জন্য ফের এক বড় ধাক্কা। ফলের চালানে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি রাসায়নিক কীটনাশক মেলায় ভারতীয় আম আমদানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নেপাল। কাঠমান্ডুর কৃষি ও পশুপালন উন্নয়ন মন্ত্রকের নির্দেশে এপ্রিল-মে মাস থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ভারতীয় আমপ্রেমী ও রফতানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
নেপাল প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপ দেশের স্থানীয় ফলচাষিদের লাভবান করবে এবং সাধারণ মানুষ আরও নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ফল পাবেন। তবে নেপালের ফল ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যে, আমের জোগান কমে যেতে পারে, দাম বাড়তে পারে এবং ব্যবসায় বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে তাঁদের। যদিও নেপাল নিজেও আম উৎপাদন করে, তবু স্থানীয় উৎপাদন দেশের মোট চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। এর মধ্যেই আরেকটি ধাক্কা এসেছে জাপান থেকে।
গত মাসেই দুই দশকেরও বেশি সময় পর ভারতের কেসর, হাপুস, ল্যাংড়া এবং বেঙ্গনপল্লি জাতের আম মদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে জাপান। উৎপাদন ও জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় একাধিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল। এর আগে ১৯৮৬ সালে ফলমাছির সংক্রমণের অভিযোগে জাপানের নিষেধাজ্ঞা প্রায় ২০ বছর পর প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এখন নেপালের এই সিদ্ধান্ত ভারতীয় ফল উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে এবং রফতানি বাজারে ভারতীয় আমচাষিদের ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।







