কর্ণাটকে ‘লোটাসে’র জবাব, শিবকুমারের মাস্টারস্ট্রোকে চাপে বিজেপি

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২০ জুন ২০২৬ঃ কর্নাটকে বিজেপির ‘অপারেশন লোটাস’-এর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের নেতৃত্বে কংগ্রেস এক মোক্ষম চাল চেলেছে, যাকে রাজনৈতিক মহলে ‘রিভার্স অপারেশন লোটাস’  বলা হচ্ছে।সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কর্নাটক বিধান পরিষদ (MLC) নির্বাচনে বিজেপির ঘর ভেঙে ক্রস-ভোটিং করিয়ে কংগ্রেস এক বিশাল জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। এই রাজনৈতিক ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। শিবকুমারের ‘পাল্টা চাল’ এবং আসল ঘটনা:আসন জয়: বিধান পরিষদের ৭টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস একাই ৫টি আসনে জয়লাভ করেছে, যেখানে তাদের শক্তি অনুযায়ী ৪টি আসন পাওয়ার কথা ছিল।

বিজেপি-জেডিএস জোটে ফাটল: কংগ্রেসের নিজস্ব বিধায়ক সংখ্যা অনুযায়ী ১৩৮টি ভোট পাওয়ার কথা থাকলেও, তারা মোট ১৫১টি ভোট পেয়েছে। এর অর্থ হলো, বিজেপি এবং জেডিএস (JDS) জোটের বেশ কয়েকজন বিধায়ক হুইপ অমান্য করে কংগ্রেসের পক্ষে ক্রস-ভোটিং করেছেন। মাস্টারস্ট্রোক: দীর্ঘ সময় ধরে বিজেপি বিরোধী রাজ্যগুলিতে বিধায়ক ভাঙিয়ে সরকার গড়ার যে কৌশল (‘অপারেশন লোটাস’) ব্যবহার করত, শিবকুমার এবার বিজেপির সেই একই কৌশল তাদের বিরুদ্ধেই প্রয়োগ করলেন।

শিবকুমারের বক্তব্য ও রাজনৈতিক প্রভাব: নির্বাচনে জয়ের পর The Ananda Bazar Patrika বা অন্যান্য সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা যায়, ডি কে শিবকুমার এই ঘটনাকে সরকারের নীতি ও নেতৃত্বের প্রতি বিরোধী বিধায়কদের আস্থা হিসেবে দেখিয়েছেন। তিনি জানান, দলমত নির্বিশেষে বহু বিধায়ক বর্তমান কংগ্রেস সরকারের কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে, এই ধাক্কার পর বিজেপি ও জেডিএস শিবিরের মধ্যে চরম অস্বস্তি তৈরি হয়েছে এবং তারা ‘কালো ভেড়া’ বা দলদ্রোহী বিধায়কদের খুঁজতে তদন্ত কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছে।