ব্যুরো নিউজ, ২৮ জুন ২০২৬ঃ পূর্ব ফ্রান্সের ন্যান্সিতে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ তারিখে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। একটি বেসরকারি ছোট বিমান মাঝআকাশে আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগের শিকার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, বিমানটিতে একদল স্কাইডাইভার ছিলেন, যাঁরা আকাশ থেকে ঝাঁপ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, পিলাটাস পিসি-৬এইচ (Pilatus PC-6h) মডেলের ওই ছোট বিমানটি টম্বলেইন অঞ্চলের কাছে ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিক ভাবে মাঝআকাশে ইঞ্জিনের গুরুতর ত্রুটিকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল এবং জরুরি পরিষেবা কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে, বিমানের আরোহী ১১ জনের কাউকেই জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর উদ্ধারকর্মীরা বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখেন। এই ঘটনায় ফ্রান্স জুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
কী কারণে মাঝআকাশে এমন গুরুতর যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিল, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্কাইডাইভারদের দলটি কোথা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্য কোথায় ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে, বিমানটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং আরোহীদের বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা ছিল না। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি এই দুর্ঘটনার খবর গুরুত্ব সহকারে প্রচার করছে এবং নিহতদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। ফ্রান্সের ইতিহাসে সাম্প্রতিক সময়ে এটি অন্যতম ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।








