ব্যুরো নিউজ, ৪ জুলাই ২০২৬ঃ রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর শনিবার বিধানসভায় বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নব তৃণমূল শিবিরের একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “কালের যাত্রায় সবাইকেই পা মেলাতে হয়।”
যদিও তিনি সরাসরি বিদ্রোহী শিবিরে যোগদানের বিষয়টি স্পষ্ট করেননি, তাঁর এই পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি নেন চন্দ্রিমা। মেট্রোপলিটান ভবন দখল নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ এবং ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর মধ্যে চলা দড়ি টানাটানির আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চন্দ্রিমার আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এই ‘অভিমান’ থেকেই চন্দ্রিমা সমস্ত পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলে জানা গেছে।
তৃণমূলের অ্যাকাউন্টের সিগনেটরি দায়িত্ব থেকেও তিনি নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চন্দ্রিমার এই পদক্ষেপ তৃণমূলের অন্দরে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের ইঙ্গিত বহন করছে। তাঁর মতো এক অভিজ্ঞ নেত্রীর এই সিদ্ধান্ত ‘নব তৃণমূল’ শিবিরের শক্তি বৃদ্ধি করবে। দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধার আকস্মিক সিদ্ধান্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও নিঃসঙ্গ হয়ে পড়লেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।








