কালীঘাট তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন-কুণাল সাধারণ সম্পাদক

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফার পর কালীঘাট তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ হলেন নতুন সাধারণ সম্পাদক।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৪ জুলাই ২০২৬ঃ তৃণমূল কংগ্রেসের কালীঘাট সংগঠনে বড়সড় রদবদল ঘটল। দু’মাস আগে নিযুক্ত রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফার পর দলের হাল ধরতে এবার নিজেই রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এই ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে, রাজ্য তৃণমূলের কাজ পরিচালনার সুবিধার জন্য দুই নতুন সাধারণ সম্পাদকের নামও ঘোষণা করেছেন তিনি। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র এবং বেলেঘাটার কুণাল ঘোষকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্ত করা হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “কে ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই। দলের রাজ্য সংগঠন এখন আমি চালাব। আপাতত আমার কাজ নেই। সারাদিন দলটাই দেখব।” তিনি আরও বলেন যে, তিনি এমনিতেই প্রতিদিন পার্টি অফিসে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন, এবার থেকে আরও বেশি সময় দেবেন। দলের সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সনের পাশাপাশি এবার তিনি রাজ্য সভাপতির দায়িত্বও সামলাবেন, যা দলের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। নেত্রীর এই সিদ্ধান্ত দলের সাংগঠনিক কাঠামোতে এক নতুন দিকনির্দেশনা দেবে।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ইস্তফা দলের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছিল, যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সামনে এসে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মদন মিত্র এবং কুণাল ঘোষের মতো অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় নেতাদের সাধারণ সম্পাদক পদে নিয়ে আসা রাজ্য সংগঠনের কাজে গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই রদবদল দলের সাংগঠনিক শক্তিকে মজবুত করবে এবং কর্মীদের মধ্যে নতুন করে চাঙ্গা ভাব আনবে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।