ব্যুরো নিউজ, ৪ জুলাই ২০২৬ঃ দলীয় প্রতীক ও তহবিল নিয়ে টানাপড়েনের মধ্যে দলের রাজ্য সভাপতির পদ নিজের হাতে নিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিকেলে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি জানান, এখন থেকে সর্বভারতীয় ও রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন হিসেবে তিনিই দলের রাশ সামলাবেন। একইসঙ্গে বিধায়ক মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষকে দলের নতুন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন তিনি। এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল যখন দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য পদত্যাগ করেছেন এবং দলের প্রতীক ও কার্যালয় নিয়ে বিদ্রোহীরা সরব। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী শিবিরকে তীব্র আক্রমণ করেন।
তিনি বলেন, “যারা আমার সই করা সিম্বলে জিতেছেন, তারা আজ বলছেন দলের অস্তিত্ব নেই।” নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে দেখা করে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন কর্মসমিতি গঠনের কথা জানালেও, মমতা তার পাল্টা দেন। দলের কার্যালয় প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটই তৃণমূল কংগ্রেসের মূল অফিস। বাইপাসের যে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল এবং তিনি ভাড়ার রশিদও দেখান।
প্রতীক বিতর্ক নিয়েও মমতা ছিলেন অনড়। বিজেপিকে দল ভাঙার চক্রান্তের অভিযোগ করে তিনি বলেন, “প্রতীক যদি নিয়েও নেয়, তাতে কি যায় আসে। প্রতীক সেটাই যেটা সাধারণ মানুষ গ্রহণ করে।” জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ভ্যানিশ কুমার আমাদের পার্টিকে ফিনিশ করার নির্বাচন করেছেন।” হকার উচ্ছেদ, মিড ডে মিল বিতর্ক এবং রামমন্দির অনুদান চুরির মতো একাধিক ইস্যুতে বিজেপিকেও আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী।








