ব্যুরো নিউজ, তৃণমূলের দাপুটে নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অন্যের সম্পত্তি জোর করে হাতিয়ে নেওয়া ও তোলাবাজির অভিযোগে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় রাজ্য সরকার একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে। সম্প্রতি, সিটের আধিকারিকরা দেবরাজকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করে তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি এবং আয়ের উৎসের সঙ্গে সম্পত্তির হিসেবের বিস্তর ফারাক খুঁজে পেয়েছেন। তদন্তে উঠে এসেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য।
সিট সূত্রে খবর, দেবরাজ চক্রবর্তীর একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অন্তত ৫০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই লেনদেনগুলি হয়েছিল বলে জানা গেছে। তবে এই বিপুল অর্থের উৎস কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, কালো টাকা সাদা করতে বেনামে বিভিন্ন সম্পত্তি কেনা হয়েছিল। এর আগে দেবরাজের বাড়ি ও ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছিল, যেগুলিতে এই লেনদেনগুলি হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই নেতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জমি জোর করে আটকে রাখা এবং বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা তোলারও অভিযোগ রয়েছে। সিটের আধিকারিকরা মনে করছেন, এই পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে। দেবরাজের আয়ের সঙ্গে সম্পত্তির হিসেবের অসঙ্গতি খতিয়ে দেখতে আরও গভীর তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।








