চিনে কাঁঠাল রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের আশা বাংলাদেশের

চিনে কাঁঠাল রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের আশা বাংলাদেশের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিন সফরে এই চুক্তি হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলবে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৯ জুলাই ২০২৬: সামরিক সরঞ্জাম বা উন্নত প্রযুক্তির বদলে এবার কাঁঠাল রপ্তানি করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিন সফরে দুই দেশের মধ্যে কাঁঠাল রপ্তানি সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে চিনের বাজারে বাংলাদেশের কাঁঠালের চাহিদা পূরণ হবে এবং পদ্মা পাড়ের দেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, গত বুধবার বাংলাদেশের সংসদে ময়মনসিংহ ৬ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সাংসদ কামরুল হাসান মিলন এই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, চিন সফরে তিনি কাঁঠাল রপ্তানির চুক্তি সেরে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, চিনের মানুষ বাংলাদেশের কাঁঠাল অত্যন্ত পছন্দ করেন এবং এর চাহিদা ব্যাপক। বিশেষত, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় উৎপাদিত কাঁঠালের গুণগত মান অত্যন্ত উন্নত। প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার উদাহরণ টেনে বলেন, মালয়েশিয়া প্রতি বছর চিনে প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের ডুরিয়ান ফল রপ্তানি করে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তাঁকে জানিয়েছিলেন যে, ডুরিয়ান দেখতে অনেকটা কাঁঠালের মতোই। মালয়েশিয়া পারলে বাংলাদেশও কাঁঠাল রপ্তানি করে সমপরিমাণ বা তার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে তারেক রহমান আশাপ্রকাশ করেন।

এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশ যখন সামরিক বা প্রযুক্তিগত চুক্তিতে ব্যস্ত, তখন বাংলাদেশের এই কৃষিভিত্তিক চুক্তি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ এবং দেশের কৃষকদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে।