নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম-৬-এ বড় বদল: বাবা-মায়ের SIR তথ্য জমা দেওয়া কি আবশ্যিক?

নতুন ভোটারদের জন্য ফর্ম-৬-এর অনলাইন আবেদনে বড় বদল আনল নির্বাচন কমিশন। বাবা-মায়ের SIR তথ্য দেওয়া কি বাধ্যতামূলক? জানুন বিস্তারিত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১২ জুলাই ২০২৬ঃ নতুন ভোটারদের জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম-৬-এর অনলাইন সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে একটি নতুন অংশ। এর ফলে যাঁরা নতুন ভোটার হিসেবে আবেদন জানাবেন, তাঁদের বাবা-মায়ের নাম শেষ এসআইআর-এ (Special Integrated Register) ছিল কিনা, তা জানাতে হবে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের ECINET পোর্টালে অনলাইন ফর্ম-৬-এর জে এবং কে অংশের মাঝখানে একটি নতুন ডিক্লারেয়শন ফর্ম যোগ করা হয়েছে। সেখানে আবেদনকারীকে জানাতে হচ্ছে যে শেষ এসআইআর-এ তাঁর বাবা-মায়ের নাম ছিল কি না, বা কী অবস্থান। যদিও এই অংশটিকে বাধ্যতামূলক বলা হয়নি, তবে এটি পূরণ না করলে আবেদনকারী পরবর্তী ধাপে যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। একই পোর্টাল থেকে ডাউনলোড করা অফলাইন ফর্ম-৬-এ অবশ্য এই নতুন অংশটি নেই।

নতুন অংশে তিনটি বিকল্পের মধ্যে একটি বেছে নিতে বলা হচ্ছে: আবেদনকারীর নাম শেষ এসআইআর-এর ভোটার তালিকায় রয়েছে; আবেদনকারীর বাবা, মা, দাদু বা ঠাকুমার নাম শেষ এসআইআর-এর ভোটার তালিকায় রয়েছে; অথবা আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মায়ের কারও নামই শেষ এসআইআর-এর ভোটার তালিকায় নেই। প্রথম বা দ্বিতীয় বিকল্প বেছে নিলে সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের নাম, বুথ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর জানাতে হবে।

তবে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা এই বিষয়ে নিয়ম তৈরি বা নীতি সংশোধনের ক্ষমতা থাকে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। নির্বাচন কমিশনের দুই প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, ফর্ম-৬-এ কোনও পরিবর্তন আনতে হলে আইন মন্ত্রকের সংশোধনী ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশন একতরফাভাবে এই ফর্ম পরিবর্তন করতে পারে না।