ব্যুরো নিউজ, ৬ আগস্ট ২০২৬ঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকার গৃহহীনদের জন্য আবাসন প্রকল্পগুলিতে গতি আনতে একযোগে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একদিকে যেমন ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’ (পূর্বতন ‘বাংলার বাড়ি’) প্রকল্পের আওতায় লিন্টন পর্যন্ত কাজ শেষ করা ১০ লক্ষ উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে, তেমনই অন্যদিকে ‘আবাস প্লাস সমীক্ষা’-র মাধ্যমে আরও প্রায় ২০ লক্ষ নতুন গৃহহীন পরিবারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর ঘোষণা করবেন বলে নবান্ন সূত্রে খবর। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G)-এর অধীনে রাজ্যজুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই সমীক্ষার কাজ জোরকদমে চালানো হচ্ছে।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, কোনও যোগ্য পরিবার যাতে আবাসন প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ। প্রশাসন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই প্রায় ২০ লক্ষ সম্ভাব্য সুবিধাভোগীকে আবাস প্লাসের আওতায় চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে, যাঁরা অতীতে রাজ্য বা কেন্দ্রের কোনও আবাসন প্রকল্পের সুবিধা পাননি। তবে, তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সমীক্ষার সময়সীমা ১৫ আগস্ট, ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পঞ্চায়েত স্তরের প্রতিনিধি ও সরকারি আধিকারিকেরা সরাসরি প্রতিটি পরিবারে পৌঁছে তথ্য যাচাই করছেন।
অতীতে আবাসন যোজনায় ভুয়ো ও অযোগ্য ব্যক্তিদের নাম থাকা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি রুখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, এবার সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে তালিকা যাচাই করতে হবে। এই নতুন তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বয়ে পরবর্তী আর্থিক সাহায্য বরাদ্দ করা হবে। এই দ্বিমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমে রাজ্যের গৃহহীনদের পাকা ছাদের স্বপ্ন পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।








