২০২৬ সালের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় নতুন ইতিহাস, প্রথমবার গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম্’!

২০২৬ সালের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথমবার গাওয়া হবে জাতীয় গান 'বন্দে মাতরম্'। 'যুব শক্তি' থিমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধী সহ কৃতী পড়ুয়ারা আমন্ত্রিত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১০ আগস্ট ২০২৬ : ২০২৬ সালের স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই প্রথমবার জাতীয় মঞ্চে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১৫ই আগস্ট প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর জাতীয় সঙ্গীতের আগে ‘বন্দে মাতরম্’ পরিবেশিত হবে। ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই কালজয়ী গানের ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্র এর মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এবারের স্বাধীনতা দিবসের মূল বিষয়বস্তু বা থিম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ‘যুব শক্তি’। সম্প্রতি দেশজুড়ে প্রশ্নফাঁস কাণ্ড এবং ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভের পটভূমিতে এই থিম অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই বিক্ষোভের জেরে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। তরুণ প্রজন্মকে দেশ গঠনে উৎসাহিত করতেই এই পদক্ষেপ। সূচি অনুযায়ী, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা ও গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ী ১৯ জন কৃতী পড়ুয়া এবং দিল্লির বিভিন্ন সরকারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের লালকেল্লায় বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত রাখা হচ্ছে।

এছাড়াও, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী তাঁর পদ ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল হওয়ায়, প্রটোকল মেনে ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের ঠিক পরেই তাঁর আসন সংরক্ষিত থাকবে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্র ‘বন্দে মাতরম্’ পরিবেশনের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ও বিধিনিষেধ জারি করেছিল। জাতীয় পতাকার মতো জাতীয় গানের অবমাননাকেও কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে সম্প্রতি সংসদে বিশেষ বিল পাস করানো হয়েছে।