ব্যুরো নিউজ, ১১ আগস্ট ২০২৬ : আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে নতুন এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে এই অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। রাজ্যে সরকার বদলের পর আরজি করের ফাইলস নতুন করে খোলা হয়েছে এবং সিবিআই তদন্তের গতিও বেড়েছে।
গত রবিবার নিহত চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পৃথক একটি এফআইআর দায়ের করে তদন্তের নির্দেশ দেন। তাঁর ‘আদেশ’ পাওয়ার পরই সোমবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী কমিটি নতুন মামলা দায়ের করে তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাবে। নতুন এফআইআরে ঘটনার দিন তড়িঘড়ি দেহ দাহ করার বিষয়টিকেই মূল অভিযোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, শ্মশানঘাটে দেহ দাহের সময় পানিহাটির তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় নামে তিন ব্যক্তির ভূমিকা অত্যন্ত সন্দেহজনক।
দাহকার্যের সময় পরিবারের কাছ থেকে খরচ না নেওয়া এবং মৃতার নিকটাত্মীয়ের বাধ্যতামূলক স্বাক্ষর না নেওয়ার বিষয়টিও গুরুতর বেআইনি। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ঘোলা থানার অন্তর্গত নাটাগড় কদমতলা শ্মশানে দাহকার্যের সিরিয়াল ৩ নম্বর থেকে রাতারাতি বদলে ১ নম্বর করে তড়িঘড়ি সৎকার করা হয়। এই পুরো কাণ্ডটি নির্মল ঘোষ, সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখার্জি মিলে ঘটিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। সিবিআই এবং আদালতের নিজস্ব প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে এই পৃথক তদন্তের মাধ্যমে সমস্ত অস্পষ্ট প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।








