ব্যুরো নিউজ, ১১ আগস্ট ২০২৬: বিপ্লবী শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত মহবনিতে গিয়ে তীব্র জনরোষের মুখে পড়লেন কেশপুরের বিধায়ক শিউলি সাহা। মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ওই অনুষ্ঠানে তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ এবং ‘শিউলি সাহা হটাও’ স্লোগান ওঠে, যা নিমেষে শোরগোল ফেলে দেয়।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, টানা ১০ বছর বিধায়ক পদে থেকেও তিনি কেশপুরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন বা বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক ভিটে সংরক্ষণে কোনও পদক্ষেপ করেননি। স্মৃতিতর্পণের দিনে তাঁর উপস্থিতিতেই পুরনো ক্ষোভ উগরে দেন স্থানীয়রা। ক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে এক মহিলা, যিনি নিজেকে উৎপল পাঁজার মা বলে পরিচয় দেন, চিৎকার করে অভিযোগ করেন যে শিউলি সাহা ও তাঁর লোকেরা তাঁদের উপর অপরিসীম অত্যাচার চালিয়েছেন। তাঁর স্বামীকেও লোক লাগিয়ে মারধর করে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বিধায়কের হাত থেকে নিস্তার চেয়ে ওই মহিলা সরব হন। এই ঘটনার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভের মুখে পড়ে বিধায়ক মূল মঞ্চে না উঠে মহবনি চত্বরেই অবস্থান করেন এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে নিঃশব্দে বেরিয়ে যান।পুরো ঘটনার বিষয়ে বিধায়ক শিউলি সাহার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী এই বিধায়ক গত জুন মাসে কোলাঘাটে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের তীব্র সমালোচনা করে শিরোনামে এসেছিলেন। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।








