বন্দে মাতরম অবমাননা: সোনিয়া গান্ধীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন বঙ্কিম বংশধর সুমিত্র চ্যাটার্জি

বন্দে মাতরম অবমাননার অভিযোগ তুলে সোনিয়া গান্ধীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানালেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশধর সুমিত্র চ্যাটার্জি।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৬ আগস্ট ২০২৬: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদর দফতরে বন্দে মাতরম সঙ্গীতকে প্রকাশ্যে অপমান করার অভিযোগের জেরে দলের চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানালেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশধর সুমিত্র চ্যাটার্জি। নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চ্যাটার্জি এক চিঠিতে সোনিয়া গান্ধীর এই আচরণকে ‘ঐতিহাসিক ভুলের নির্লজ্জ পুনরাবৃত্তি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয় স্বাধীনতা দিবসের দিন দিল্লিতে কংগ্রেস সদর দফতরে।

অভিযোগ, বন্দে মাতরম গাওয়া চলাকালীন সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধী অস্বস্তি প্রকাশ করেন এবং গানটি থামানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। দেশের জাতীয় সঙ্গীতকে এভাবে প্রকাশ্যে অপমান মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সুমিত্র চ্যাটার্জি তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, বন্দে মাতরম শুধুমাত্র একটি গান নয়, এটি দেশের সম্মিলিত স্মৃতি, বঙ্কিমচন্দ্রের চিরন্তন উত্তরাধিকার এবং ক্ষুদিরাম বসুর মতো শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীক। ১৮৯৬ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি পরিবেশন করেছিলেন।

এই গানকে অসম্মান করা মানে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসকে অসম্মান করা। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের অনুভূতিতে গভীরভাবে আঘাত হেনেছে। তাই সুমিত্র চ্যাটার্জি সোনিয়া গান্ধীকে নিঃশর্তে সমস্ত দেশবাসীর, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।