ব্যুরো নিউজ, ২৫ আগস্ট ২০২৬: ক্ষমতায় আসার তিনমাসের মধ্যেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ বিজেপিতে। বারুইপুরে দলের আদি, সক্রিয় কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হল বিজেপিরই ৪ সদস্য। এদের মধ্যে মূল চক্রী হিসেবে যার নাম উঠে এসেছে, সেই সুজন মণ্ডল বিজেপি থেকে সাসপেন্ডেড বলে জানা গিয়েছে। সোমবার রাতভর তল্লাশি চালিয়ে বারুইপুরের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে বারুইপুর পুলিশ। মঙ্গলবার তাদের পেশ করা হবে বারুইপুর আদালতে।
মৃত বাপি প্রামাণিকের পরিবারের অভিযোগ ছিল, বিজেপি নেতা সুজন মণ্ডল পরিকল্পনামাফিক তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সুজন-সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গেরুয়া শিবিরের প্রাক্তন জেলা সভাপতির অবশ্য দাবি, সুজন দলের কেউ নয়, তাকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম সুজন মণ্ডল, কৃষ্ণ মণ্ডল, কনক মণ্ডল ও অনিল নাইয়া। এরা সকলেই উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়ার বাসিন্দা। রবিবার রাতে বাপি প্রামাণিক নামে এলাকার আদি বিজেপি কর্মীকে ডেকে কুপিয়ে খুনের ঘটনার পর সোমবার দিনভর উত্তপ্ত ছিল এলাকা। সুজন মণ্ডল নামে বিজেপি নেতাকে মূল অভিযুক্ত বলে দাবি করে থানায় এফআইআর দায়ের করেছিল বাপি প্রামাণিকের পরিবার। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বিজেপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলই এই হত্যাকাণ্ডের কারণ। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে এবং আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। ধৃতদের জেরা করে ঘটনার নেপথ্যে থাকা আসল কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।








