যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ভর্তিতে ‘বেনিয়ম’, জুটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এবিভিপির

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ভর্তিতে বেনিয়মের বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল এবিভিপি। তাদের নিশানায় জুটা। যদিও জুটা এই অভিযোগ অস্বীকার করে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৮ আগস্ট ২০২৬: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি (PhD) ভর্তিতে গুরুতর বেনিয়মের অভিযোগ তুলল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। তাদের অভিযোগের তির সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জুটা (JUTA)-র দিকে। বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে এবিভিপি এই বিস্ফোরক দাবি করে। যদিও জুটা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে এবং প্রমাণ থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

এবিভিপির দাবি, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি ভর্তির প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। তাদের অভিযোগ, ওয়েটিং লিস্টে অনেক পরে নাম থাকা সত্ত্বেও বিশেষ কিছু প্রার্থীর নাম এক নম্বরে আনার গোপন পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবিভিপি আরও প্রশ্ন তুলেছে যে, কেন আর্টস ফ্যাকাল্টিতে পিএইচডি ভর্তির মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয় না। তাদের সন্দেহ, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভর্তি করানোর জন্যই এই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কতজন বাম শিক্ষক এভাবে প্রার্থী ভর্তি করিয়েছেন এবং এর বিনিময়ে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্নও তুলেছে এবিভিপি।

এবিভিপির ভিডিওতে বর্তমান উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, ইমনকল্যাণ লাহিড়ী এবং জুটার সভাপতি পার্থপ্রতীম রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জুটার সভাপতি অধ্যাপক পার্থপ্রতীম রায় বলেন, সমাজমাধ্যমের এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগের কোনও জবাব হয় না। তবে, কেউ যদি তাঁর নাম নিয়ে মিথ্যা কথা বলে, তবে তাকে প্রমাণ দিতে হবে এবং মিথ্যা প্রমাণিত হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অডিও ক্লিপটিও যে মিথ্যা নয়, তা প্রমাণ করতে হবে। রাজ্যের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অভিযোগ ওঠায় শিক্ষা মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।