নন্দীগ্রাম-রেজিনগর উপনির্বাচন: ঘাসফুল প্রতীক কার? কমিশনের দ্বারস্থ ঋতব্রত শিবির, তুঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ

নন্দীগ্রাম-রেজিনগর উপনির্বাচনে তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে আইনি লড়াই তুঙ্গে। ঋতব্রত শিবির প্রতীকের দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ। কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবিরের দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬: রাজ্যে দুর্গাপূজার ঠিক আগে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দামামা বেজে উঠতেই বঙ্গ রাজনীতিতে চরম উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। নির্বাচন কমিশন (ECI) এই দুই আসনের জন্য ভোটগ্রহণের দিনক্ষণ ঘোষণা করতেই তৃণমূল কংগ্রেসের জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের ‘কালীঘাট শিবির’ নাকি ‘ঋতব্রত শিবির’, শেষ পর্যন্ত কার পকেটে যাবে এই প্রতীক, তা নিয়েই এখন জোর জল্পনা।

সূত্রের খবর, বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দলীয় অংশ বুধবারই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দুয়ারে কড়া নেড়েছে। তাদের দাবি, জোড়াফুল প্রতীকের অধিকার তাদেরই। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং ৯ অক্টোবর ফলপ্রকাশ। শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফার কারণে নন্দীগ্রাম এবং হুমায়ুন কবীরের ইস্তফায় রেজিনগর আসনটি ফাঁকা হয়েছিল। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি পৃথক তৃণমূল কংগ্রেস গঠিত হয়, যা বর্তমানে রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করছে। এরপর থেকেই জোড়াফুল প্রতীক এবং দলের যাবতীয় তহবিল কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

বিষয়টি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দরবারে পৌঁছায় এবং কমিশন উভয় পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে বলে। অগস্টের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা থাকলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। এই পরিস্থিতিতে উপনির্বাচনের মুখে প্রতীকের লড়াই নতুন মাত্রা যোগ করল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আইনি লড়াই রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে গভীর প্রভাব ফেলবে।