মোবাইলের নেশায় বাড়ি ছেড়েছিল পাঁচ ছাত্রী, কোচবিহারে টোটোচালকের তৎপরতায় পুলিশের হাতে

মোবাইলের নেশায় বাবা-মায়ের বকাঝকা খেয়ে বাড়ি ছেড়েছিল কোচবিহারের ৫ ছাত্রী। টোটোচালকের বুদ্ধিতে পুলিশের সাহায্যে তাদের উদ্ধার করা হয়।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মোবাইলের প্রতি আসক্তি নিয়ে বাবা-মায়ের বকাঝকা খেয়ে বাড়ি ছেড়েছিল পাঁচ স্কুলছাত্রী। কোচবিহার শহরে এক টোটোচালকের বুদ্ধিমত্তা ও তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে উদ্ধার হল তারা। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার শহরে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

জানা গিয়েছে, ওই পাঁচ ছাত্রী কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকার বড় গদাইখোড়া ভিএম হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া। বাড়িতে সারাক্ষণ মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকার কারণে তাদের বাবা-মা প্রায়শই বকাঝকা করতেন। এই অভিমানেই তারা বাড়ি থেকে পালানোর পরিকল্পনা করে। স্কুল যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারা শীতলকুচি থেকে কোচবিহার শহরে চলে আসে। সারা দিন শহরে ঘোরাঘুরি করার পর সন্ধ্যায় তারা নিউ কোচবিহার স্টেশনে যাওয়ার জন্য একটি টোটো ভাড়া করে। কিন্তু রাত কাটানোর কোনও ঠিকানা না থাকায় তারা টোটোচালক আব্দুল আলিকে একটি ভাড়াবাড়ি খুঁজে দেওয়ার অনুরোধ করে। পাঁচ নাবালিকার কথা শুনে চালকের সন্দেহ হয়। তিনি তাদের কিছু না বলে রাজবাড়ির সামনে কর্তব্যরত ট্র্যাফিক পুলিশকে বিষয়টি জানান।

ট্র্যাফিক পুলিশের পরামর্শে আব্দুল আলি ওই ছাত্রীদের কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যান। সেখানে পুলিশ আধিকারিকেরা তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাড়ি ছেড়ে আসার বিপদ সম্পর্কে বোঝান। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ছাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। পরে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা এসে ছাত্রীদের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। এই ঘটনায় মোবাইলের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তির বিপদ আরও একবার সামনে এল।