ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে জিনপিং, গালওয়ান সংঘাতের পর প্রথম সফর; বন্ধুত্বের বার্তা চিনের, চাপে প্রতিবেশী দেশগুলি

ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে জিনপিং, গালওয়ান সংঘাতের পর প্রথম সফর। চিনের বন্ধুত্বের বার্তা, তবে চাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। মোদি-জিনপিং বৈঠক ঘিরে কৌতূহল।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬:  চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘাতের পর এই প্রথম তিনি ভারতের মাটিতে পা রাখলেন। তাঁর এই সফর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। চিনের রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং জিনপিংয়ের ভারত সফরের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বন্ধুত্বের বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের পরামর্শ মেনে দুই প্রতিবেশী দেশ কৌশলগত এবং সুদূরপ্রসারী সুসম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাবে।

দিল্লিতে জিনপিংয়ের আগমন দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও দড়ি টানাটানির অবসান ঘটাল। শনিবারই সপারিষদ তিনি রাজধানীতে পৌঁছবেন। চিনা রাষ্ট্রদূতের বার্তা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে চলেছে। কাজান ও তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এটি টানা তৃতীয়বারের সাক্ষাৎ। চিনের তরফে এই বন্ধুত্বের বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তবে জিনপিংয়ের এই সফর বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের জন্য মোটেই সুখের নয়।

ভারত এবং চিন যদি পারস্পরিক সমস্যা মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে আমেরিকার জন্যও পরিস্থিতি খুব সুখকর হবে না বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য সদর্থক আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।