উপনির্বাচনে ‘জোড়াফুল’ প্রতীক পাচ্ছেন মমতাই! কমিশনের তলবের পর বড় দাবি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের

উপনির্বাচনে তৃণমূলের জোড়াফুল প্রতীক মমতাই পাচ্ছেন, দাবি করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের তলবের পর কালীঘাট তৃণমূলের এই দাবি ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: তৃণমূলের প্রতীক বিবাদে প্রথম রাউন্ডে সম্ভবত জয় পেতে চলেছে কালীঘাট তৃণমূলই। অন্তত রেজিনগর ও নন্দীগ্রামের আসন্ন উপনির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে থাকার সম্ভাবনাই ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এখনও কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ না দেওয়ায় এই দাবি করছে কালীঘাট শিবির। শনিবার নির্বাচন কমিশন কালীঘাট এবং ঋতব্রত, দুই তৃণমূল শিবিরের বক্তব্যই বিস্তারিতভাবে শুনেছে।

তবে, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কমিশন এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। শনিবার দুই শিবিরের সঙ্গে প্রাথমিক বৈঠকের পর ঋতব্রত শিবিরকে নিজেদের বক্তব্যের স্বপক্ষে কিছু প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বলেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও তাঁর সহকর্মীরা। সেই নথির ভিত্তিতে আগামী ১৬ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ফের তলব করা হয়েছে কালীঘাট শিবিরকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই তলবের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন কালীঘাট শিবিরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দৃঢ় দাবি, যেহেতু ১৬ ও ১৭ তারিখ তাঁদের ফের তলব করা হয়েছে, তাই ধরে নেওয়া যায় কমিশন ওইদিনের আগে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করবে না। কমিশন কোনও নির্দেশ না দেওয়ার অর্থ হল ‘স্টেটাস কো’ অর্থাৎ ‘স্থিতাবস্থা’ বজায় থাকবে।

এই পরিস্থিতিতে কালীঘাট শিবিরেরই লাভ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, শেষবার ২০২৬ সালের উপনির্বাচনে ঘাসফুল প্রতীক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূলই ব্যবহার করেছিল। এই আইনি জটিলতা এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। উপনির্বাচনের আগে কমিশনের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।