তোলাবাজির মামলায় কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ হাইকোর্টের, ৬ মাস কঠোর পদক্ষেপ নয়, রয়েছে শর্তও

তোলাবাজির মামলায় তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদকে ৬ মাসের রক্ষাকবচ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আপাতত গ্রেফতারি নয়, তবে সিআইডি তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬: তোলাবাজি ও হুমকির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অবশেষে স্বস্তি পেলেন তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়ে নির্দেশ দিয়েছে যে, আগামী ৬ মাস তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর আইনি পদক্ষেপ বা গ্রেফতারি করা যাবে না। তবে তদন্তে সিআইডি-কে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটারকে। বিচারপতি কৌশিক চন্দের একক বেঞ্চ মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেয়। বর্তমানে এই মামলার তদন্তভার রয়েছে সিআইডি-র হাতে। তাঁদের তরফে ইতিমধ্যেই তৃণমূল সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন পাঠানো হয়েছিল।

হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সিআইডি ভবনে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হবে কীর্তিকে। এরপরও যদি তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হয়, তবে সিআইডিকে অন্তত সাত দিন আগে নোটিস পাঠিয়ে তলব করতে হবে। গত বছরের ২১ মে এক ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগকারী দাবি করেন, দুর্গাপুরে কীর্তি আজাদের বাংলোয় তাঁকে ডেকে ১৫ লক্ষ টাকা তোলা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাঁর রান্নার গ্যাসের ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনার অডিও রেকর্ড তাঁর কাছে রয়েছে বলে ওই ব্যবসায়ী দাবি করেছেন।

এরপরই দুর্গাপুর থানায় কীর্তি আজাদ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। যদিও শুরু থেকেই যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর দাবি, এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। ঘটনার দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না এবং এর সপক্ষে বিমানের টিকিট সংক্রান্ত তথ্যও আদালতে পেশ করেছেন। কীর্তির আইনজীবীর বক্তব্য, প্রায় ১৫ মাস পর এফআইআর দায়ের হওয়ায় অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।