ব্যুরো নিউজ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানী এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরকে এসআইআর নোটিস পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
জানা গিয়েছে, নির্বাচনী নথিপত্রে নামের বানানে গরমিল অথবা পূর্ববর্তী এসআইআর (Self-Identification Report) নথিপত্রের সঙ্গে তথ্যের অসঙ্গতির কারণেই এই নোটিসগুলি পাঠানো হয়েছে। শুধুমাত্র এই দুই হেভিওয়েটই নন, কমিশনের পাঠানো তালিকায় আরও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাকেও এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় ও তাঁর স্ত্রী সুদেশ ধনকড়, সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মদন লোকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিব্বাল ও সুব্রহ্মণ্যম স্বামী, এবং দিল্লির মন্ত্রী প্রবেশ সিংয়ের নামও এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য। নির্বাচন কমিশনার এস. এস. সান্ধু, প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরিও এই নোটিস প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যের যৌক্তিক অসঙ্গতিকে নোটিস পাঠানোর মূল কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধরনের নোটিস সাধারণত নথিপত্রের ত্রুটি সংশোধনের জন্য পাঠানো হয়। তবে দেশের এতজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বের নথিপত্রে এমন গরমিল ধরা পড়ায়, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং নথিপত্রের নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা ভবিষ্যতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।








