ব্যুরো নিউজ, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ব্রিকস সম্মেলন থেকে ফেরার পরই পাকিস্তানকে সঙ্গে নিয়ে একটি যৌথ সীমান্ত কমিশন গঠন করেছে চিন। কিন্তু ভারতীয় ভূখণ্ডে এই তথাকথিত পাকিস্তান-চিন সীমান্ত কমিশনকে তীব্র প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এই পদক্ষেপকে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়ে নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই অঞ্চলের উপর ভারতের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নাতীত এবং কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ এখানে গ্রহণযোগ্য নয়।
বিদেশ মন্ত্রক দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে কোনও সীমানার অস্তিত্ব ভারত স্বীকার করে না। এই কমিশনটির কোনও আইনি ভিত্তি নেই এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ— এই সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। বেআইনি ও জোরপূর্বক দখলে থাকা ভারতীয় ভূখণ্ড সংক্রান্ত কোনও পদক্ষেপে যুক্ত হওয়ার কোনওরকম আইনি অধিকার বা ভিত্তি নেই পাকিস্তানের।” ভারতের এই কড়া অবস্থান আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ভারত আরও উল্লেখ করেছে যে, জিনজিয়াং এবং পাকিস্তান-অধিকৃত গিলগিট-বাল্টিস্তানের মধ্যে সীমানা নির্ধারণের লক্ষ্যে ১৯৬৩ সালের ২ মার্চ স্বাক্ষরিত তথাকথিত ‘চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি’টিও সম্পূর্ণ অবৈধ। এই চুক্তিটি ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে লঙ্ঘন করে সম্পাদিত হয়েছিল। নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে লঙ্ঘন করে এমন কোনও পদক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিপন্থী বলেও নয়াদিল্লি সতর্ক করেছে।








