গুরুগ্রাম হিট অ্যান্ড রান: বাইকার তরুণীকে ২ কিমি তাড়া করেছিল মদ্যপ অভিযুক্ত, গাড়িতে ছিল আরও ২ জন

গুরুগ্রাম হিট অ্যান্ড রান কাণ্ডে নয়া মোড়। মদ্যপ অবস্থায় বাইকার তরুণী শিয়াকে ২ কিমি তাড়া করেছিল অভিযুক্ত কল্যাণ বৈঁসলা। গাড়িতে থাকা আরও ২ বন্ধুকে নোটিস।

Share:

ব্যুরো নিউজ , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: গুরুগ্রামের বাইকার তরুণী শিবানী চৌহান ওরফে শিয়াকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মারার ঘটনায় তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন মূল অভিযুক্ত কল্যাণ বৈঁসলা তিন বন্ধুকে নিয়ে একটি ক্লাবে মদ্যপান ও পার্টি সেরে ফিরছিলেন। গাড়ি চালানোর সময় তাঁর পাশে বসা বন্ধু লবণীশের প্ররোচনাতেই কল্যাণ পথচলতি বাইকার তরুণীকে প্রায় ২ কিলোমিটার পথ ধাওয়া করেন এবং পরবর্তীতে সজোরে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রে খবর, গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৩ মেট্রো স্টেশনের কাছে শিয়া ও কল্যাণের গাড়ির মধ্যে বচসা হয়। এরপরই লবণীশের উস্কানিতে কল্যাণ তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে শিয়াকে তাড়া করে আঘাত করে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত কল্যাণ বৈঁসলা এবং তাঁকে উস্কানি দেওয়া লবণীশকে রাজস্থান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারী অফিসাররা আরও জানিয়েছেন, ঘটনার সময় গাড়ির পেছনের সিটে আরও দু’জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। গুরুগ্রাম পুলিশের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই তাঁদের নোটিস পাঠানো হয়েছে এবং তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের গ্রেফতারি সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ঘটনার সময় কল্যাণ ও তাঁর বন্ধুরা চরম মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন কিনা, তা নিশ্চিত করতে কল্যাণের রক্ত ও মূত্রের নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতারির পর অভিযুক্ত কল্যাণের পালানোর চেষ্টার তথ্যও সামনে এসেছে। রাজস্থান থেকে ধরে আনার পর প্রস্রাব করার অজুহাতে পুলিশ হেফাজত থেকে চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কল্যাণ। তবে পালানোর সময় পড়ে গিয়ে চোট পাওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ফের হেফাজতে নেয় পুলিশ। আক্রান্ত তরুণী শিয়া এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।