বারাকপুরে থামছে তারা মা এক্সপ্রেস! বিধায়ক কৌস্তব বাগচীর উদ্যোগে পূরণ হল দীর্ঘদিনের দাবি

বারাকপুরে থামছে তারা মা এক্সপ্রেস! বিধায়ক কৌস্তব বাগচীর উদ্যোগে পূরণ হল দীর্ঘদিনের দাবি। আজ থেকে সকাল ৭:৪১ মিনিটে ট্রেনটি থামবে। যাত্রীরা উপকৃত।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বারাকপুর স্টেশনে থামতে শুরু করল জনপ্রিয় তারা মা এক্সপ্রেস। বিধায়ক কৌস্তব বাগচীর নিরলস প্রচেষ্টায় রেল মন্ত্রক এই গুরুত্বপূর্ণ দাবি মেনে নিয়েছে। আজ সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে ট্রেনটি বারাকপুর স্টেশনে পৌঁছালে এক উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়। স্থানীয় মানুষজন ঢাকের বাদ্যি ও ফুলের বৃষ্টি দিয়ে ট্রেনটিকে স্বাগত জানান। ট্রেনের গার্ড ও চালককে ‘পদ্মফুল মিষ্টি’ দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে বহু মানুষ স্টেশনে ভিড় জমিয়েছিলেন।

বিধায়ক কৌস্তব বাগচী দীর্ঘদিন ধরে রেল মন্ত্রকের কাছে এই ট্রেনটি বারাকপুরে দাঁড় করানোর জন্য আবেদন জানিয়ে আসছিলেন। তিনি জানান, বারাকপুর ও সংলগ্ন এলাকার বহু মানুষ তাঁর কাছে এই দাবি নিয়ে এসেছিলেন। এই দাবি পূরণ হওয়ায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত এবং এলাকার মানুষের কাছে দেওয়া কথা রাখতে পেরে খুশি। তিনি আরও বলেন, বারাকপুরের মতো একটি জনবহুল এবং ঐতিহাসিক স্টেশনে দূরপাল্লার ট্রেনের স্টপেজ অত্যন্ত জরুরি ছিল। বারাকপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হওয়া সত্ত্বেও বহু দূরপাল্লার ট্রেন এখানে থামত না, যার ফলে নিত্যযাত্রী এবং তারাপীঠগামী পুণ্যার্থীদের ব্যাপক অসুবিধা হত। তারা মা এক্সপ্রেসের এই স্টপেজ চালু হওয়ায় দক্ষিণবঙ্গ থেকে আগত যাত্রীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনই বারাকপুর থেকে সরাসরি তারাপীঠ যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যাত্রীরা স্বস্তি পাবেন। এটি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। কৌস্তব বাগচী আরও বলেন, এটি কেবল শুরু। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভবিষ্যতে আরও অনেক দূরপাল্লার ট্রেন যাতে বারাকপুর স্টেশনে থামে, তার জন্য তিনি রেল মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই উদ্যোগ বারাকপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল এবং স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করল।