ঘাসফুল প্রতীকে নিষেধাজ্ঞা: হাওড়ার পতাকা ব্যবসায়ীর মাথায় হাত, লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ঘাসফুল প্রতীকের ব্যবহার বন্ধ। হাওড়ার উনসানির পতাকা প্রস্তুতকারী লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতির আশঙ্কায়। উপনির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ঘাসফুল’ প্রতীকের ব্যবহার বন্ধ রাখা হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ বিবাদের জেরেই এই বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে কমিশনের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে গভীর চিন্তায় পড়েছেন হাওড়ার উনসানির পতাকা প্রস্তুতকারীরা। তাঁদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায় নেমে এসেছে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ। উনসানির বাসিন্দা রাজু হালদারের পরিবার প্রজন্ম ধরে পতাকা তৈরির পেশায় যুক্ত। সারা বছর তাঁরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পতাকার পাশাপাশি জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকাও তৈরি করেন। তাঁদের তৈরি পতাকা শুধু বাংলাতেই নয়, ভিন রাজ্যেও বেশ জনপ্রিয়। এই শিল্পে বহু মানুষের রুজি-রোজগার জড়িত। রাজু হালদারের দাবি, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের জন্য কয়েক লক্ষ ঘাসফুলের পতাকা তৈরি করে মজুত রাখা হয়েছিল।

কমিশনের সিদ্ধান্তের পর সেই বিপুল পরিমাণ পতাকা নিয়ে এখন তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। রাজু হালদার আশঙ্কা করছেন, যদি ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাঁদের বিপক্ষে যায়, তাহলে তাঁদের ব্যবসার বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। মজুত থাকা এই পতাকার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে তাঁরা এখন নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে। উপনির্বাচনের জন্য যদিও দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক দেওয়া হয়েছে, কিন্তু মজুত থাকা পুরনো পতাকার কী হবে, তা নিয়েই মূল উদ্বেগ। এই ঘটনা হাওড়ার স্থানীয় অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে। কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে তাঁদের ভবিষ্যৎ।