ব্যুরো নিউজ, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: দুর্গাপুজো মানেই নতুন জামা, প্যান্ডেল হপিং, খাওয়া-দাওয়া আর সিনেমা। টলিউডের কাছেও দুর্গাপুজা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়, কারণ পুজোয় একসঙ্গে একাধিক বাংলা ছবি মুক্তি পায়। বক্স অফিস নিয়ে চলে জোরদার চর্চা।
কিন্তু এই উৎসবের আবহে শহরের নাট্যমঞ্চের ছবিটা কেমন? সিনেমার মতো নাটক ঘিরে কি তৈরি হয় তেমনই উন্মাদনা? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে নাট্যমহলে। উত্তরটা পুরোপুরি নেতিবাচক না হলেও, সিনেমার মতো পুজোর নাট্যোৎসব নিয়ে জনমানসে সেই উন্মাদনা এখনও তৈরি হয়নি। তবে পুজোয় নাটক হয়, দর্শকও আসেন।
পরিচালক সৌরভ পালোধীর দল ‘ইচ্ছেমতো’ প্রতি বছরই পুজোয় নাটক মঞ্চস্থ করে। এবছর অষ্টমীতে তাঁদের দু’টি শো রয়েছে অ্যাকাডেমিতে। সৌরভের মতে, থিয়েটার কর্মীদের কাছে পুজোর সময়ে শো থাকা আশীর্বাদের মতো।
‘নান্দীকার’-এর সপ্তর্ষি মৌলিক জানালেন, তাঁদের নতুন নাটক প্রতিষ্ঠাদিবসে মঞ্চস্থ হলেও, পুজোর ঠিক আগে মহালয়ার পর দিনই রবীন্দ্র সদনে সোহিনী সেনগুপ্তর নির্দেশনায় তাঁদের নতুন নাটক ‘অবাঞ্ছিত শব্দগুচ্ছ’-এর দু’টি শো রয়েছে। সপ্তর্ষি মনে করেন, পুজোর সময় নাটকের আলাদা দর্শক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে প্রবাসী বাঙালিরা যারা এই সময় শহরে ফেরেন।
কৌশিক সেনের দল ‘স্বপ্নসন্ধানী’-ও পুজোর সময় মঞ্চে থাকছে ‘ম্যাকবেথ ২.০’ নিয়ে। তবে তিনি পুজোর ৪-৫ দিনের নাট্যোৎসবে খুব একটা সায় দেন না। তাঁর মতে, পুজোকে কেন্দ্র করে সিনেমার মতো উন্মাদনা এখনও থিয়েটারকে ঘিরে তৈরি হয়নি।
অভিনেত্রী সেঁজুতি মুখোপাধ্যায় এবং অঙ্গনা রায়ও পুজোয় নাটক দেখার পক্ষে সওয়াল করেছেন, তবে ফেস্টিভ্যাল নিয়ে তাঁদের মতামত ভিন্ন। সামগ্রিকভাবে, পুজোয় নাটকের নিজস্ব দর্শক থাকলেও, সিনেমার মতো ব্যাপক উৎসবের চেহারা এখনও পায়নি নাট্যমঞ্চ।







