ব্যুরো নিউজ, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: শ্রীরামপুর যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করলেন মানিকতলা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনার পর দ্রুত তিনি ভবানী ভবনে পৌঁছন অভিযোগ দায়ের করার জন্য। তবে অভিযোগ, ভবানী ভবনে ঢোকার মুখেই তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ এবং সাংবাদিকদের সামনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।
সূত্রের খবর, শ্রীরামপুর থেকে ফেরার পথে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। এই হামলার অভিযোগ জানাতেই তিনি ভবানী ভবনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাঁকে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তিনি বাধ্য হন ই-মেলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর অভিযোগপত্র পাঠাতে। ভবানী ভবনের বাইরে দাঁড়িয়েই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, গণতন্ত্রে এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হয়েও তাঁকে এইভাবে হেনস্থা হতে হচ্ছে, যা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তিনি বলেন, “আমি একজন বিধায়ক, আমার উপর হামলা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?” কুণাল ঘোষ আরও বলেন, তিনি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করছেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন, এই ধরনের ঘটনা তাঁকে ভয় দেখাতে পারবে না এবং তিনি তাঁর রাজনৈতিক কাজ চালিয়ে যাবেন।
তাঁর অভিযোগ, এই বাধা দেওয়ার ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শাসক দলের একজন বিধায়কের উপর হামলার অভিযোগ এবং অভিযোগ জানাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।








