ব্যুরো নিউজ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: শ্রীরামপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে।
এই সভামঞ্চ থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আক্রমণের মূল সুর ছিল শুভেন্দুর পুরনো একটি মন্তব্যকে ঘিরে, যেখানে শুভেন্দু দাবি করেছিলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি বাড়ি থেকে বেরোতে দেবেন না।
সেই মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাড়ি থেকে বেরোতে দেবে না, এই দেখ মমতাদিকে দিয়ে সভা করিয়ে দেখালাম।” শ্রীরামপুরের এই বিশাল জনসভা থেকে তিনি কার্যত শুভেন্দুকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষ করেন, “কীরে শুভেন্দু তুই কোথায় গেলি রে?”
কল্যাণের এই মন্তব্য মুহূর্তেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমা উপস্থিত জনতা ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তিনি শুধু শুভেন্দু অধিকারীকেই নয়, একইসঙ্গে জ্ঞানেশ কুমার এবং ভারতীয় জনতা পার্টিকেও নিশানা করেন।
তাঁর বক্তব্যে বিজেপি সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা এবং রাজ্যের শাসক দলের অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা ছিল। বিশেষত, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আবহে তৃণমূলের এই ধরনের আক্রমণাত্মক প্রচার কৌশল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। শ্রীরামপুরের সভা থেকে তৃণমূল সাংসদ যে বার্তা দিতে চাইলেন, তা হল বিরোধী শিবিরের ভিত্তিহীন অভিযোগের জবাব এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের জনমুখী কাজের প্রচার।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সরাসরি আক্রমণ তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উদ্দীপনা বাড়াতে সাহায্য করবে। কল্যাণের এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়বে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।রাজনৈতিক মহলের মতে, বিতর্কের মুখে কমিশনের এই একযোগে সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।







