থ্রিলার ও ত্রিকোণ প্রেমের গল্পে মধুমিতা রাহুল অরুণোদয়ের ‘অটবী’ কতটা জমল?

মধুমিতা সরকার, সাহেব ভট্টাচার্য ও রাহুল অরুণোদয়ের 'অটবী' ছবির রিভিউ। সৌমাভ চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় থ্রিলার ও ত্রিকোণ প্রেমের এই গল্প কতটা জমল?

Share:

ব্যুরো নিউজ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: পরিচালক সৌমাভ চট্টোপাধ্যায় তাঁর নতুন ছবি ‘অটবী’-তে থ্রিলার ও ত্রিকোণ প্রেমের এক অভিনব মিশ্রণ নিয়ে হাজির হয়েছেন। মধুমিতা সরকার, সাহেব ভট্টাচার্য এবং রাহুল অরুণোদয় অভিনীত এই ছবিটি দর্শকদের রোমাঞ্চের এক নতুন হদিশ দিতে পারে।

গল্প শুরু হয় দুই বোন ডিম্পল (মধুমিতা) ও তানিয়াকে (ইনিয়া) নিয়ে, যাদের মধ্যে গভীর সখ্য ও ভালোবাসা। শিক্ষিকা তানিয়ার হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যাওয়া দিদি ডিম্পলকে উদ্বিগ্ন করে তোলে। খবর আসে, তানিয়া নাকি চামসুট্টির গভীর জঙ্গলে হারিয়ে গেছে। বোনকে খুঁজতে ডিম্পল একাই বেরিয়ে পড়ে না, তার সঙ্গী হয় বাংলাদেশি সাংবাদিক সাকিব (সাহেব) এবং জঙ্গলের গাইড শমীক (রাহুল অরুণোদয়)।

‘প্রবেশ নিষেধ’ লেখা সত্ত্বেও এই তিনজনের দল কল্পিত চামসুট্টি জঙ্গলে প্রবেশ করে। সেখানে তারা গাছের গোড়ায় সিঁদুর মাখানো মানুষের মাথার কঙ্কাল, হাড়গোড়, লাল শালু জড়ানো গাছ এবং তান্ত্রিকের আখড়ার মতো রহস্যময় জিনিস দেখতে পায়। এমনকি সুদৃশ্য তাঁবু খাটিয়ে সেখানে কারা যেন থাকেনও।

এই সব রহস্যের জট ছাড়ানোর চেষ্টা করতে করতে গল্প দর্শককে তাদের অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণের সঙ্গী করে নিয়ে চলে যায় গহীন অরণ্যে। এই জঙ্গলের মধ্যে ঘুরপাক খেতে খেতে সাকিব ও মধুমিতার আলাপচারিতা ও মৃদু ঘনিষ্ঠতার আভাস দর্শকদের মন্দ লাগবে না।

যদিও পরিচালক থ্রিলারের সঙ্গে ত্রিকোণ প্রেমের গল্প জুড়ে দেওয়ায় ছবি শেষে দর্শক কিছুটা ধন্দে থাকতে পারেন। সামগ্রিকভাবে, ‘অটবী’ একটি মিশ্র অভিজ্ঞতার জন্ম দেয়, যেখানে সাসপেন্স ও সম্পর্কের টানাপোড়েন এক অদ্ভুত ককটেল তৈরি করে।