ব্যুরো নিউজ, ২৩ অক্টোবর ২০২৬: সপ্তমীর রাতের চোরবাগান সার্বজনীন পদপিষ্টের বিপর্যয়ে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণার অভিযোগে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
ধৃত ব্যক্তির নাম বাবু মজুমদার ওরফে কালিয়া। এর আগে এই একই অভিযোগে সেন্টু নামে এক ঘোষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
শনিবার প্রথম সপ্তমীর দিন চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। প্রবল ভিড়ে ১৯ জন দর্শনার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয় এবং কমপক্ষে ২৫ জন জখম হন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, হুড়োহুড়ির মাঝে মাইকে ‘মণ্ডপের একাংশ ভেঙে পড়েছে’ বলে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা করা হয়। এই মিথ্যা ঘোষণাই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে এবং দর্শনার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এর ফলেই এলোমেলোভাবে ছুটোছুটি শুরু হয়, যার পরিণতিতে পদপিষ্ট হয়ে এতগুলি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতীর নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর বাবু মজুমদার নদিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। দীর্ঘ তল্লাশির পর অবশেষে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ধৃত ঘোষকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানার চেষ্টা করছেন, তাঁরা নিজেদের ইচ্ছায় এই ঘোষণা করেছিলেন, নাকি কোনও নির্দিষ্ট নির্দেশ ছিল। এই বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর নেপথ্যে আসল উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই গ্রেপ্তারের ফলে চোরবাগান বিপর্যয়ের নেপথ্যে থাকা আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সিট কমিটি এই ঘটনার প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করছে।








