ব্যুরো নিউজ, ২৩ অক্টোবর ২০২৬: তিব্বত ও চিন সংলগ্ন অঞ্চলে ৭ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে ৩০০-র বেশি বাড়ি।
বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে, যার জেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ওই পাহাড়ি অঞ্চলে। স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৩ মিনিটে (ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিট) এই কম্পন অনুভূত হয়। চিনের আর্থকুয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে-র তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু থেকে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত পাহাড়ি অঞ্চল, যা তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে ৩৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। আহত হয়েছেন ৪৬ জন, যার মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাড়ি ভেঙে ধ্বংস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ি অঞ্চলের কম্পনের উৎসস্থলের সংলগ্ন এলাকায় মোট ৩৩৯টি বাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে এবং বহু বাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছেন ৩০০ পুলিশকর্মী, উদ্ধারকারী দল এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ বিতরণ।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে তিব্বতের জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।








