মাঝরাতে থানার ভিতরেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! মালদার চাঁচল থানায় আগুন লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। আগুনের গ্রাসে চলে আসে থানার মালখানা ঘর-সহ একাধিক ঘর। গভীর রাতে থানার ভিতরে এভাবে আগুন লাগার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে পুলিশকর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতে হঠাৎই চাঁচল থানার ভিতরে আগুন দেখতে পাওয়া যায়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে একাধিক ঘরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। তবে আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় একটি ইঞ্জিন দিয়ে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এরপর ঘটনাস্থলে আনা হয় আরও একটি দমকলের ইঞ্জিন।
এরপর দমকলকর্মী, পুলিশকর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মিলিত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই থানার গুরুত্বপূর্ণ নথি, কেস ডায়েরি, কম্পিউটার-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়। কোনওরকমে সেগুলি বাইরে বের করে নিয়ে আসা হয় বলে জানা গিয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন মহকুমা পুলিশ আধিকারিক। কীভাবে থানার ভিতরে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুমান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
এই অগ্নিকাণ্ডে থানার মালখানা ঘর-সহ একাধিক ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া নথি ও অন্যান্য সামগ্রীর অবস্থাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
মাঝরাতে থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দিকেই এখন নজর রয়েছে।








