ব্যুরো নিউজ, ২৪ অক্টোবর ২০২৬: মাস পেরলেই কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের ভোট। রাজ্যের শাসনক্ষমতায় আসার পর এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পুরনিগম দখল করা বিজেপির কাছে এক বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, গেরুয়া শিবির এই চ্যালেঞ্জ সহজেই জিততে পারে। তবে সাবধানী বিজেপি নেতৃত্ব সংগঠনকে মজবুত করে ধাপে ধাপে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
শনিবার এই সংক্রান্ত একটি বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে কলকাতা পুরভোটে দলের ইনচার্জ সুকান্ত মজুমদার নিজেদের রণনীতি অনেকটা স্পষ্ট করে দিলেন। তিনি জানান, প্রার্থীতালিকা তৈরির ক্ষেত্রে ‘বেনোজল’ রুখতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হবে। আদি বিজেপি কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করলেও, রাজনীতি যে অনন্ত সম্ভাবনার ক্ষেত্র, তাও মনে করিয়ে দেন সুকান্ত।
তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু করেছে। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের শোচনীয় হারের জেরে একটার পর একটা প্রশাসনিক ক্ষেত্র ভেঙে পড়েছিল। পুরনিগম, পুরসভা, পঞ্চায়েতের মতো স্থানীয় প্রশাসন থেকে পদত্যাগ, দলত্যাগে ক্ষমতা হারিয়ে অকেজো হয়ে পড়েছিল।
একদা তৃণমূলের নেতা কর্মীরাই পরে ‘ভালো তৃণমূল’ হয়ে শাসকদল বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় বিজেপির আদি কর্মীদের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তবে কি পুরভোটে সেই ‘দলবদলু’রা টিকিট পাবে? এতদিন একনিষ্ঠভাবে কাজ করেও কি তাঁরা বঞ্চিত হবেন? সুকান্তর মন্তব্য সেই জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।








