ব্যুরো নিউজ, ৩০ অক্টোবর ২০২৬: আর মাত্র কয়েকদিন পরেই কালীপুজো। আলোর উৎসবকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। প্রতি বছরের মতো এবারও কলকাতার শহীদ মিনার ময়দানে বসতে চলেছে রাজ্যের সবচেয়ে বড় বাজির বাজার। তবে এবছর এই বাজার ঘিরে প্রস্তুতির পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছে প্রশাসন। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চোরবাগান বিস্ফোরণের ঘটনার পর কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ কলকাতা পুলিশ ও দমকল দফতর। আগামী ২ নভেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত সাতদিন ধরে চলবে এই বাজির বাজার।প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বাজি ব্যবসায়ীরা তাদের অস্থায়ী স্টল সাজাতে ব্যস্ত। তবে এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজি বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে। শব্দবাজি বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। প্রশাসন এবার নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত কড়া মনোভাব নিয়েছে। অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার, স্টলগুলির মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব, জল ও বালির বস্তার ব্যবস্থা—সবই খতিয়ে দেখছে দমকল।
অন্যদিকে, কলকাতা পুলিশও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেবে। প্রতিটি স্টলে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক। বাজারে পর্যাপ্ত আলো, পানীয় জল, শৌচালয়ের ব্যবস্থা থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা, মেটাল ডিটেক্টর, পুলিশ পিকেট-সহ একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাজি ব্যবসায়ীরাও প্রশাসনের সমস্ত নিয়ম মেনে চলার আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁদের মতে, শান্তিপূর্ণভাবে বাজার চললে সকলেরই সুবিধা। সব মিলিয়ে, চোরবাগান কাণ্ডের পর এবছর শহীদ মিনারের বাজির বাজারে নিরাপত্তা নিয়ে কোনওরকম আপস করতে নারাজ প্রশাসন। পুলিশ ও দমকলের ছাড়পত্র পেলেই শুরু হবে বাজি কেনাবেচার ধুম।








