ব্যুরো নিউজ, ১ নভেম্বর ২০২৬: সরকারি অর্থের চরম অপচয় এবং দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ।
বিগত কয়েক মাস আগে মুর্শিদাবাদ জংশন রেলওয়ে স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন মন্ত্রী। স্টেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে তিন দিন সময় দিলেও কেটে গেছে প্রায় দুই মাস।
অবশেষে কোনো সদুত্তর না পেয়ে রবিবার পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুসারে তিনি নিজেই হাজির হন মুর্শিদাবাদ জংশনে। স্টেশন চত্বর ঘুরে দেখে মন্ত্রী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি দেখতে পান স্টেশন চত্বর অপরিষ্কার, ঝোপঝাড়ে ভর্তি এবং ডেঙ্গুর লার্ভা ছড়ানোর মতো জল জমে আছে বিভিন্ন জায়গায়। একটি মাত্র এস্কেলেটর থাকলেও তা বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ হয়ে পড়ে থাকে। মহিলা প্রতীক্ষালয়টি দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ এবং একাধিক শৌচালয়ও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

মন্ত্রীর অভিযোগ, স্টেশনে পার্কিং জোন না থাকা সত্ত্বেও নো পার্কিং জোন লিখে রাখা হয়েছে এবং সেখানে গাড়ি রাখলে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হচ্ছে, যার কোনও বৈধ রশিদ দেওয়া হচ্ছে না। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্র সরকার মুর্শিদাবাদ জংশনের উন্নয়নে প্রচুর টাকা বরাদ্দ করলেও তার কোনও সদ্ব্যবহার হচ্ছে না, বরং সেই টাকা লুট হচ্ছে।
মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ বিস্ফোরক দাবি করেন যে, আরপিএফ এবং স্টেশন আধিকারিকদের মদতে অবৈধ টিকিটের কালোবাজারি চলছে। আমবাগান ও পুকুরগুলিও অবৈধভাবে লিজ দিয়ে তোলা হচ্ছে। কিছু দোকানদারকেও অর্থের বিনিময়ে বসতে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।








