শুটিংয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ, বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার অভিনেত্রীর দেহ! রাইমা ইসলাম শিমু খুনে স্বামী গ্রেফতার

বাংলাদেশের অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু খুন। শুটিংয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর কেরানীগঞ্জে বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার। স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল খুনের কথা স্বীকার করেছেন।

Share:

ব্যুরো নিউজ , ২৩ আগস্ট ২০২৬: বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুটিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন শিমু। ২৪ ঘণ্টা পর ঢাকার কেরানীগঞ্জের হেজ়রতপুর ব্রিজের কাছে একটি ঝোপ থেকে তাঁর বস্তাবন্দি, দু’টুকরো করা দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে পুলিশ দ্রুত অভিনেত্রীর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেলকে গ্রেফতার করে। পুলিশি জেরায় সাখাওয়াত স্বীকার করেছেন যে পারিবারিক কলহ এবং আর্থিক টানাপোড়েনের জেরেই তিনি শিমুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

১৬ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখে তাঁদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়, যার পরিণতিতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। হত্যার পর সাখাওয়াত তাঁর বন্ধু এস এম ওয়াই আবদুল্লাহ ফারহাদের সাহায্যে দেহটি দু’টুকরো করে বস্তায় ভরে ফেলেন। এরপর গাড়ির ট্রাঙ্কে লুকিয়ে রেখে কেরানীগঞ্জের নির্জন এলাকায় ফেলে দিয়ে আসেন।

তদন্তে জানা যায়, শিমুর পারিবারিক গাড়ি থেকে ব্লিচিং পাউডারের তীব্র গন্ধ আসছিল, যা প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা বলে সন্দেহ করা হয়। এছাড়া গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া নাইলনের দড়ির সঙ্গে শিমুর দেহ বাঁধা বস্তার সেলাই করা দড়ির হুবহু মিল পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের দাম্পত্য জীবনে হিংসা ও পারিবারিক কলহ ছিল। সাখাওয়াত প্রায়ই স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। এই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ এবং স্বামীর স্বীকারোক্তি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে।