ব্যুরো নিউজ, ৭ নভেম্বর ২০২৬: দীপাবলি মানেই আলো, আনন্দ, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানো আর পরিবারের মিলনমেলা। কিন্তু উৎসবের এই আনন্দের মাঝেই মন খারাপ গোবিন্দ-পত্নী সুনীতা আহুজার। একসময় দীপাবলি এলেই আত্মীয়স্বজন, ভাইপো-ভাইঝি, সন্তান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে গমগম করত তাঁদের বাড়ি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গিয়েছে সেই চেনা ছবি। এখন পরিবারের সদস্যরা নিজেদের জীবন নিয়ে ব্যস্ত। আর সেই কারণেই উৎসবের দিনেও বাড়িটা যেন কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগে সুনীতার।
সম্প্রতি পিঙ্কভিলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের বাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর পাশাপাশি দীপাবলির পুরনো স্মৃতির কথা ভাগ করে নেন তিনি। সুনীতার কথায়, আগে শাশুড়ি, আত্মীয়স্বজন এবং বাড়ির ছোটদের নিয়ে উৎসবের দিনগুলো ভীষণ আনন্দে কাটত। এখন সন্তানরা বড় হয়ে গিয়েছে, শাশুড়িও আর নেই। তাই আগের মতো বাড়িতে লোকজনের আনাগোনা দেখা যায় না। তাঁর কথায়, বাড়িটা এখন অনেকটাই ‘সুনা সুনা’ বা নিস্তব্ধ লাগে।
তবে মন খারাপ হলেও নিজের মতো করে উৎসব উদ্যাপন করেন সুনীতা। বাড়িতে প্রদীপ জ্বালান, পুজো করেন এবং নিজের পছন্দমতো মিষ্টিও খান। ডায়াবিটিস থাকায় অবশ্য মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁকে সতর্ক থাকতে হয়।
সাক্ষাৎকারে বিয়ের পর প্রথম দীপাবলির স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। সেই সময় শাশুড়ির কাছ থেকে সুন্দর শাড়ি ও সোনার গয়না উপহার পেয়েছিলেন। গোবিন্দও তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। স্বামীর উপহার দেওয়ার অভ্যাস নিয়ে মজার ছলে খুনসুটিও করেন সুনীতা।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ১১ মে গোপনে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন গোবিন্দ ও সুনীতা। তাঁদের দুই সন্তান টিনা ও যশবর্ধন। প্রায় চার দশকের দাম্পত্য জীবনের নানা স্মৃতিতে ভরা তাঁদের বাড়ি। তাই উৎসবের আলোয় সাজানো সেই বাড়িতেও আজ পুরনো দিনগুলোর জন্য মন কাঁদে সুনীতার।










