কালীপুজোর উদ্বোধনে শুভেন্দু-শমীকের আশ্বাস; ‘পুলিশের জিপে আর মূর্তি যাবে না’

বারাসতে কালীপুজোর উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। নিরাপত্তা ও সমন্বয়ের উপর জোর দিলেন তাঁরা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৬ নভেম্বর ২০২৬: বাংলার ঐতিহ্যময় প্রাচীন তান্ত্রিক সংস্কৃতির বর্ণময় উৎসব কালীপুজোর উদ্বোধনে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি বিগত সরকারের মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তোলার মতো চরম লজ্জাজনক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসতের এক পুজো মণ্ডপ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য আশ্বাস দেন যে বিগত সরকারের ঐ ধরণের ঘটনার আর কোনদিন পুনরাবৃত্তি হবে না।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁরা কালীপুজোর নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করার উপর জোর দেন। পুজো কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক এবং পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন, উৎসবের আনন্দে যেন নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও আপস না হয়। শমীক ভট্টাচার্য বলেন, কোথাও অব্যবস্থা হলে তার দায় একা পুলিশের নয়। দর্শনার্থীদের প্রবেশ ও বেরনোর পথ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব পুজো উদ্যোক্তাদেরও নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসতের শিমুলতলা শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্রের কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে চোরবাগানের ঘটনার প্রেক্ষিতে এই সতর্কবার্তা দেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, “৮৬ শতাংশ সনাতনী ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই বারাসতের বিধায়কের নাম শংকর চট্টোপাধ্যায় আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।” অন্যদিকে, পুলিশের উদ্দেশে শমীকের বার্তা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “কালীপুজোর বিসর্জনে পুলিশের উপর আর বোমা পড়বে না, পুলিশের জিপে কালীমূর্তিও যাবে না।”

এই বার্তাগুলির মাধ্যমে তাঁরা সনাতন উৎসবের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সম্পর্কিত খবর