মুখ্যমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ: ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময় ঠোঁট নাড়ছেন না অনেকেই

সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময় ঠোঁট নাড়ছেন না অনেকে, মুখ্যমন্ত্রীর এই পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রতিবেদন। রাষ্ট্রবিরোধী কাজ বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি।

Share:

নিউজ ব্যুরো, ২৭ জুন ২০২৬: সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া শুরু হতেই অনেকে নিয়ম মেনে উঠে দাঁড়ালেও, সচেতনভাবে ঠোঁট নাড়ছেন না— এই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নজরে এসেছে।

শুক্রবার কলকাতায় রবীন্দ্র সদনে ‘সিটিজেন এমপাওয়ারমেন্ট ফোরাম’-এর উদ্যোগে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এই পর্যবেক্ষণ জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আসার পরে বন্দে মাতরম সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত সব জায়গায় প্রার্থনা সঙ্গীত করেছি। কিন্তু সরকারি নির্দেশ মেনে বাধ্য হয়ে অনেকে দাঁড়ালেও, ঠোঁট নড়ছে না!’ মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, ‘বন্দে মাতরম’-এর প্রতি কোনও রকম অশ্রদ্ধা বরদাস্ত করা হবে না।

তাঁর সংযোজন, ‘শুধু দাঁড়ালেই হবে না। ঠোঁটটাও নাড়াতে হবে। একটু সময় লাগবে, সেটাও আমরা করব। ভরসা রাখুন।’ তিনি রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে সতর্ক করে হুঁশিয়ারি দেন, ‘কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কাজ আর পশ্চিমবঙ্গের মাটি থেকে হবে না। আমরা বরদাস্ত করব না। এ রাজ্যে থেকে আগামীতে সেনাবাহিনী বা দেশকে অপমান করা যাবে না।’ তিনি ল্যান্ড জিহাদ, লাভ জিহাদ এবং বলপূর্বক ধর্মান্তরকরণের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও উল্লেখ করেন। একই দিনে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আরএন রবিও ‘বন্দে মাতরম’ মন্ত্রের তাৎপর্য তুলে ধরেন।