ব্যুরো নিউজ, ৭ জুন ২০২৬ঃ কলকাতা পুরসভার (KMC) ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে তোলাবাজি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভয় দেখানোর অভিযোগে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।৬ জুন ২০২৬ (শনিবার) রাতে কলকাতার পাটুলি থানার পুলিশ তাঁকে প্রথমে আটক করে এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করে।
এই ঘটনার প্রধান প্রধান তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
গ্রেফতারির মূল কারণ ও প্রেক্ষাপটতোলাবাজির অভিযোগ: পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মোটা অঙ্কের টাকা তোলা আদায় করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাটুলি এলাকায় দোকান পাইয়ে দেওয়ার নাম করেও টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সহযোগীর স্বীকারোক্তি: শনিবার বিকেলে পুলিশ প্রথমে বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব সভাপতি সৌরভ ঘোষকে গ্রেফতার করে। পুলিশি জেরায় সৌরভ স্বীকার করেন যে, তিনি কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্যের নির্দেশেই এলাকায় তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট চালাতেন। তাঁর এই বয়ানের ভিত্তিতেই রাতেই বাপ্পাদিত্যকে গ্রেফতার করা হয়।
অন্যান্য অভিযোগ: তোলাবাজি ছাড়াও তাঁর বিরুদ্ধে এলাকা দখল, মারধর, সিন্ডিকেট রাজ চালানো এবং প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষকে ঘরছাড়া করার হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও ‘চোর’ স্লোগান
বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকে যখন পুলিশের গাড়িতে করে পাটুলি থানায় নিয়ে আসা হয়, তখন থানার বাইরে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মানুষ জড়ো হয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথেই উত্তেজিত জনতা তাঁকে লক্ষ্য করে “বাপ্পা চোর” এবং “চোর চোর” স্লোগান দিতে শুরু করে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে এই প্রতিবাদ জানান।







