নিউজ ব্যুরো, ২৪ জুন ২০২৬: রাজ্যে দুর্নীতি দমনে কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভার চলতি অধিবেশনে নতুন আইন আনার কথা ঘোষণা করে তিনি জানান, দুর্নীতিতে অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও নিলাম করা হবে।
মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর বিতর্কের জবাবি ভাষণে শুভেন্দু সরাসরি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট এবং ক্যামাক স্ট্রিটের উল্লেখ করে বলেন, “এই আইন কার্যকর হলে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে যাঁরা রাজপ্রাসাদ তৈরি করেছেন, সেখানে ফ্লাইওভারের নীচে বসবাসকারীদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “তোলাবাজ, লাল–চুল কানে–দুল এক জনও জেলের বাইরে থাকবে না।” তিনি বীরভূমের পাথর খাদানের টাকা ক্যামাক স্ট্রিটে যেত বলেও অভিযোগ করেন। যদিও তিনি নির্দিষ্টভাবে কারও নাম করেননি, তবে তাঁর ইঙ্গিত স্পষ্ট বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে শুভেন্দু বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে (বিজিবিএস) ফিকি-কে ৩২৪.৭৩ কোটি টাকা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন এবং তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর সই করা কাগজ দেখান। শুভেন্দু লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বার্ধক্য ভাতা, মেধাশ্রী, জয় জোহার সহ বিভিন্ন প্রকল্পে তৃণমূল জমানায় মুর্শিদাবাদের ডোমকল ব্লকে ব্যাপক অনিয়মের তথ্যও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “৩০ লক্ষ এমন অ্যাকাউন্ট পেয়েছি, যেখানে টাকা লুট হয়েছে। সবে তো শুরু হয়েছে, একটা চোরকেও ছাড়া হবে না।” তিনি জাহাঙ্গির, শাহজাহান, শওকত, সোনা পাপ্পু, দিলীপ মণ্ডল সহ বেশ কিছু নাম উল্লেখ করে জানান, তাদের বিচার হবে এবং শাস্তি হবে। এই নতুন আইন দুর্নীতি মোকাবিলায় সরকারের একটি বড় অস্ত্র হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।








