ব্যুরো নিউজ, ৮ অক্টোবর ২০২৬: কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি অভিমুখী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার করল কৃষ্ণনগর কাস্টমস প্রিভেন্টিভ ইউনিট। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর শঙ্কর হোটেলের কাছে নাকা তল্লাশি চলাকালীন ‘গ্রীন লাইন’-এর একটি বাস থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়। উদ্ধার হওয়া মাদকের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য আনুমানিক ৪ কোটি টাকা বলে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে।
কাস্টমস ডিপিইউ-এর ইন্সপেক্টর সুবোধচন্দ্র রায় জানিয়েছেন, গোপন সূত্রে তাঁদের কাছে খবর আসে যে একটি পাবলিক বাসে করে নিষিদ্ধ নারকোটিক ড্রাগ পাচার করা হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই কাস্টমস আধিকারিকরা তৎপর হন। বাসটির নিচের ডিকিতে পোল্ট্রি ফিডের বস্তার আড়ালে লুকানো তিনটি সন্দেহজনক বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো খুলে দেখা যায়, ভেতরে রয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার পিস ‘স্পাসমো প্রক্সিভন প্লাস’ ক্যাপসুল। সাধারণত ব্যথানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, বর্তমানে এই ওষুধটি মাদক হিসেবেই ব্যাপকভাবে সেবন ও পাচার করা হচ্ছে।
বাসের চালক ও কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এই পার্সেলটি কাউন্টার থেকে বুকিং করা হয়েছিল এবং শিলিগুড়ির কাউন্টারে প্রাপকের হাতে তুলে দেওয়ার কথা ছিল। যদিও এই ঘটনায় কাউকে সরাসরি আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া সমস্ত সামগ্রী এনডিপিএস (NDPS) আদালতে পেশ করা হবে এবং এই চক্রের পেছনে কারা যুক্ত রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কাস্টমস। এই ঘটনা রাজ্যে মাদক পাচারের নতুন রুট ও কৌশল নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।








