ব্যুরো নিউজ, ১৮ই মে ২০২৬ঃ রবিবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মরশুমের অন্যতম মেগা ডার্বি ম্যাচ ঘিরে উন্মাদনা ছিল চরমে। এই মহারণ দেখার পাশাপাশি স্টেডিয়াম চত্বর পরিদর্শন করে এক বড়সড় ও তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। যুবভারতীর প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তি এবার সম্পূর্ণ সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার।
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের ভিভিআইপি গেটের ঠিক পাশেই মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক বিশাল ভাস্কর্য। যেখানে দেখা যায়, একটি মূর্তির শুধুমাত্র পা থেকে কোমর পর্যন্ত অংশ রয়েছে এবং তার ঠিক ওপরে বসানো রয়েছে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের ‘বিশ্ববাংলা’র প্রতীক বা লোগো। বিগত তৃণমূল জমানায় তৈরি হওয়া এই মূর্তির নকশা বা ডিজাইন স্বয়ং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের হাতে করেছিলেন। এবার সেই বহুল চর্চিত মূর্তিটিকেই মাঠ থেকে বিদায় দেওয়ার কথা জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী।
নিশীথ প্রামাণিক স্পষ্ট ভাষায় জানান, এই মূর্তির নান্দনিক কোনও অর্থ নেই এবং এটি দেখতেও অত্যন্ত দৃষ্টিকটু ও অশোভন। তাই এটিকে আর স্টেডিয়ামের সামনে রাখা হবে না। ওই বিতর্কিত ভাস্কর্যটি নিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানান ক্রীড়ামন্ত্রী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিশীথ প্রামাণিক বলেন, “কী এক অদ্ভুত ও বিদঘুটে মূর্তি তৈরি করে রাখা হয়েছে! একটা কাটা পা, আর তার ওপর বসানো ফুটবল। যে মূর্তির কোনও অর্থ নেই, কোনও যুক্তি নেই, তেমন কোনও জিনিস আমরা এখানে রাখব না। আমরা দ্রুত এর পরিবর্তন করব।”
২০১৭ সালে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের সময় এই মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছিল, যা শুরু থেকেই স্থাপত্যশৈলীর অভাব এবং হাস্যকর ডিজাইনের কারণে সমালোচিত ছিল। স্টেডিয়ামের আধুনিকীকরণের পাশাপাশি এই মূর্তি অপসারণ এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।








