কমনওয়েলথ জুডোতে সোনা জিতলেও পুরস্কার নিয়ে সংশয়ে অস্মিতা দে, যোগীরাজ্যের নিয়মই বাধা

কমনওয়েলথ গেমসে জুডোতে ঐতিহাসিক সোনা জিতলেও উত্তরপ্রদেশ সরকারের দেড় কোটি টাকার পুরস্কার নিয়ে সংশয়ে অস্মিতা দে। যোগীরাজ্যের নতুন নিয়মই তাঁর প্রাপ্তির পথে বাধা।

Share:

ব্যুরো নিউজ, ৬ আগস্ট ২০২৬ঃ গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে জুডোতে ঐতিহাসিক সোনা জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন অস্মিতা দে। ৪৮ কেজি বিভাগে কানাডার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে এই ২৩ বছর বয়সী জুডোকা ভারতের ঝুলিতে এনেছেন প্রথম জুডো সোনা। তবে এই সাফল্যের পরই তৈরি হয়েছে এক অপ্রত্যাশিত বিতর্ক। উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দেড় কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে সংশয়ে পড়েছেন অস্মিতা।

জানা গিয়েছে, অস্মিতা দের জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ত্রিপুরায়। যদিও তিনি দীর্ঘদিন ধরে জুডোর ম্যাটে উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন এবং ২০২৩ সাল থেকে ইউপি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত। সমস্যাটি তৈরি হয়েছে ২০২৪ সালের অগস্ট মাসে যোগী সরকার কর্তৃক আনা নতুন ক্রীড়া নির্দেশিকা ঘিরে। এই নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যের আর্থিক পুরস্কার পেতে হলে অ্যাথলিটদের তিনটি প্রধান শর্ত পূরণ করতে হবে: আবশ্যিকভাবে উত্তরপ্রদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, রাজ্যের কোনও স্বীকৃত কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তত দু’বছর পড়াশোনা করার রেকর্ড থাকতে হবে এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে।

অস্মিতা আন্তর্জাতিক স্তরে উত্তরপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেও, জন্মসূত্রে তিনি সে রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা নন। ফলে দেড় কোটি টাকার পুরস্কার তাঁর ভাগ্যে জুটবে কিনা, তা নিয়ে বিস্তর জট তৈরি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের ক্রীড়া অধিকর্তা আরপি সিং জানিয়েছেন, সিডব্লিউজি ২০২৬-এর পদকজয়ীদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের এই তারকা জুডোকার পুরস্কার জট কবে মেটে, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা ক্রীড়ামহল।